Background

Background

Lights of BANGLADESH

  • image1
  • image2
  • image3
  • image4
  • image2
  • image1
  • image4
  • image3
Showing posts with label My Writings. Show all posts
Showing posts with label My Writings. Show all posts
গরীব হয়ে জন্মালে বুঝি এইভাবেই মরতে হবে!!! বাংলাদেশের সর্বত্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারনে আমরা আর কত নিরিহ অসহায় মানুষের লাশ দেখব ?! সকালে সুস্থ - সবল মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে কাজ করতে যাবে আর বিকালে অন্যের কাঁধে চরে লাশ হয়ে বাড়ী ফিরবে ! অবৈধ উপায়ে কাজ হাসিল ও সেটা সম্পাদন করাটা এখন আমাদের জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ছোটখাটো পেশার লোকজন তো যেন ঢাকা শহরে কুকুর - বিড়ালের মতো বাস করতে বাধ্য হচ্ছে । আর তাই সারা জীবন পেটের দায়ে কষ্ট করে কাজ করে  মরার সময়ও মানুষের করুনা নিয়ে মরতে হবে !! কাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা কোথায় ? কর্মীদের জীবনের দায়ভার কাদের হাতে ? এইভাবে একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটবে আর দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবেনা আর কত দিন ??! আমরা নিরাপদ নির্মাণ ব্যবস্থা চাই এবং কর্মস্থলে নিন্ম শ্রেণীর শ্রমিকদের নিশ্চিত নিরাপত্তা চাই । নিহতদের পরিবারের সমস্ত দায় - দায়িত্ব নেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি । আর আহতদের সুস্থ হওয়া থেকে শুরু করে তাদেরও সকল দায়িত্ব নেয়ার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।

ঢাকার অদূরে সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে রানা প্লাজা নামের একটি বহুতল ভবন আজ বুধবার সকালে ধসে পড়ে। এ ঘটনায় বেলা একটা পর্যন্ত অন্তত ৮০ জনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। উদ্ধারকাজ চলছে। নয়তলা ওই ভবনে বিপণিকেন্দ্র, পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ছিল। ধসে পড়ার সময় সেখানে বহু মানুষ ছিল বলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ভবনের কয়েকটি তলায় পোশাক কারখানাসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ছিল। বিপুলসংখ্যক মানুষ ভেতরে আটকা পড়েছে। বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। দুর্ঘটনার পর থেকে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উদ্ধার তত্পরতায় অংশ নিচ্ছেন। ওই ভবন থেকে শত শত আহত মানুষকে উদ্ধার করে আশপাশের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।



অন্তত ৮০ জন নিহত

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) রুহুল ফোরকান প্রথম আলো ডটকমকে বেলা একটার দিকে জানান, তাঁরা ধারণা করছেন, মৃতের সংখ্যা এখন ৮০। এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সক মনিরুজ্জামান বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম আলো ডটকমকে জানান, ওই সময় পর্যন্ত এই হাসপাতালের মর্গে অন্তত ৩০ জনের লাশ রাখা হয়। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (অপারেশন) ভরতচন্দ্র বিশ্বাস দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন। একই সময়ে তিনি জানিয়েছিলেন, ধসে পড়া ভবন থেকে তাঁর উপস্থিতিতেই অন্তত আট থেকে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই নারী।  সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ৫০ জনকে নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিত্সক। চারজনকে তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। আর ১৭ জনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ২৪ জনকে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন জসিম উদ্দিন খান প্রথম আলো ডটকমকে এসব তথ্য জানান।

দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ভবন ধসের ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিত্সা, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য সব কিছু করা হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ১৮ দলীয় জোটের হরতাল না থাকলে উদ্ধার কাজ আরও দ্রুত করা যেত।

দুর্ঘটনার ব্যাপারে ফায়ার সার্ভিসের ডিজির বক্তব্য

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার আলী আহমেদ দুপুর ১২টার দিকে প্রথম আলো ডটকমকে জানান, ভবনটি পুরোপুরি মাটির সঙ্গে মিশে যায়নি। ধসে পড়া ভবনের নিচে কিছু ফাঁকা জায়গা আছে। সেখান দিয়ে ভেতরে ঢুকে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। কিছু ফাঁকা জায়গায় অক্সিজেনের অভাব থাকায় উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে।  ডিজি জানান, ওই সময় পর্যন্ত ১০০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ভেতরে পাঁচ থেকে ছয় হাজার লোক আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তিদের সংখ্যা নিশ্চিত করে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।

নয়তলা ভবনে বহু প্রতিষ্ঠান

সাভার বাসস্ট্যান্ডের কাছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশেই নয়তলা রানা প্লাজা ভবনটি। এতে ভূগর্ভস্থ তলায় গাড়ি রাখার জায়গা। দ্বিতীয় তলার বিপণিকেন্দ্রে বহু দোকান ছিল। তৃতীয় থেকে সপ্তম তলা পর্যন্ত পোশাক কারখানা। এর ওপরের দুটি তলা খালি ছিল। ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ছিল প্রথম তলায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বহুতল এ ভবনের কয়েকটি তলা নিচে দেবে গেছে। কিছু অংশ পাশের একটি ভবনের ওপর পড়েছে।

‘বোমার মতো আওয়াজ শুনলাম’

ভবনটি ধসে পড়ার ঘটনায় আহত হয়েছেন রাশিদা বেগম। তিনি ওই ভবনে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। স্বজনেরা তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি বলছিলেন, কারখানায় যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বোমার মতো আওয়াজ হলো। তখন তিনি মেশিনের নিচে চলে যান। পরে আলো দেখে কীভাবে যে বাইরে আসেন, সে কথা মনে করতে পারছিলেন না রাশিদা। সঙ্গীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি জানেন না।

ফাটলের পরও ঝুঁকি নেই জানিয়েছিলেন ইউএনও

ওই ভবনের তৃতীয় তলার একটি পোশাক কারখানায় ফাটল দেখা দিয়েছিল। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কবীর হোসেন সরদার সেটি পরিদর্শনে যান। তখন তিনি সাংবাদিকদের জানান, ভবনটি ভেঙে পড়ার কোনো কারণ নেই।  এ ব্যাপারে আজ বক্তব্য জানার জন্য ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মালিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা। দুর্ঘটনার পর থেকে স্থানীয় লোকজন ও আটকা পড়া ব্যক্তিদের স্বজনেরা মালিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, ফাটল দেখা দেওয়ার পরও ভবনটিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলায় আজ এত মানুষ জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার শোক প্রকাশ

এ ঘটনায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।


আহতদের জন্য রক্তের জরুরি আবেদন: 

সাভারে বহুতল ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় আহত অনেককে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নেওয়া হয়েছে। তাঁদের জন্য জরুরি রক্তের আবেদন জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আগ্রহী ব্যক্তিদের রক্ত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।




 উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো

এমন কিছু কি বলা ভালো না, যা বললে অথবা করলে দেশের মানুষের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় ?! আর বিশ্বাস ব্যাপারটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে নিজেদের অন্তরে বিশ্বাস কে বেশি করে  ধারন করাটা ভালো নয় কি ?!!


আসুন আমরা অন্য কারো যে কোন বিশ্বাসের  অনুভূতিতে আঘাত করে, এই সমস্ত কথা - বার্তা থেকে বিরত থাকি । মর্যাদা দেই নিজের মাতৃভূমির প্রতিটি নাগরিকের প্রতিটি মতামতকে । ধনী - গরীব, উঁচু - নিচু, শিক্ষিত - অশিক্ষিত, এই দল - সেই দল, এই জাত - সেই জাত ভুলে গিয়ে সকলে উৎসবের আনন্দে মিলিত হওয়ার এই চমৎকার নববর্ষের প্রথম দিনে অতীতের সব কলুষিত দিনের কথা ভুলে গিয়ে একসাথে সোনার বাংলাদেশ কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় বাক্ত করি । মানুষকে মানুষের মতো মূল্যায়ন করি, দেশকে ভালোবাসি । - শুভ নববর্ষ ।




Maksuda
14-04-2013

  প্রতিটা মানুষের নিজস্ব মতামত, ধ্যান-ধারনা, চিন্তাধারার মধ্যে পার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক। এর কারন হল তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ অর্থাৎ যেখানে সে বড় হয় অথবা যেখানে সে কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করে; এছাড়াও অর্থনৈতিক অবস্থা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জ্ঞানের ভাণ্ডারের অবস্থানতো আছেই । আর তার অন্তরে ভালো ও মন্দকে আলাদা করার সামর্থ্য এই সব কিছু থেকেই তৈরি হয় । সবচেয়ে বড় বিষয় হল, শৈশব থেকে সর্বদিক দিয়ে উন্নতি অথবা অবনতির জন্য তার সুযোগ প্রাপ্তি হয়েছে কি না এবং সেটা হলেও কতটুকু হয়েছে ? 


অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তা থেকেই নির্ধারিত আছে যে, একজন ব্যক্তি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তার পুরো জীবদ্দশায় কোন কোন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাবে এবং কেন যাবে । আমরা মানুষেরা কিন্তু এই সমস্ত কেনর কিছুই বুঝিনা । যারা কিছুটা বুঝি বলে দাবি করি, তাদের কথা আপাতত নাই বা বললাম ।  আর মানুষ ঠিক তার অবস্থান থেকেই তার ইচ্ছা - অনিচ্ছার মতামত গুলি প্রকাশ করে এবং তার পছন্দ ও অপছন্দের কাজগুলি করে থাকে। এই কারনেই যে কোন ব্যক্তি যাই কিছুই বলুক অথবা ভাবুক, তার বলার অথবা ভাবার পিছনে নিশ্চয়ই উপরোক্ত গুরুত্বপূর্ণ কারন গুলি বিদ্যমান। আর এই জন্যই প্রতিটা মানুষের প্রতিটা ভাবনা ও মতামত গুরুত্বপূর্ণ । আমরা যারা একটু বেশি বুঝি, তাদের এটা ভুলে গেলে চলবেনা, মানুষ পৃথিবীতে আসে সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক নির্ধারিত তার নিজের অংশের চরিত্রটা পালন করবার জন্য ।




Maksuda
Date: 08-04-2013

বাংলাদেশে ঘরে ঘরে যখন ডিশ এন্টেনার বদৌলতে নানান ধরনের অর্ধ নগ্ন ছবি দেখা হয়, তখন আমাদের সবার ভালোই লাগে দেখতে ! আসলেই কি যে সুন্দর বিনোদন ! আহা হা ! 

বাংলাদেশে যখন তরুন সমাজ পর্ণ ছবির দিকে নানাভাবে ঝুঁকে পড়ে, যখন চারিদিকে  মাদকের রমরমা ব্যবসা আর মাদক সেবনের ভীষণ সুন্দর সুব্যবস্থা, তখন আমরা তাদের ও সমাজের হেফাজতের জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহন করি ?! খুব বেশি কিছু করি কি ?!

বাংলাদেশে যখন পাড়ায়-পাড়ায়, অলিতে -গলিতে, গ্রামে - গঞ্জে নারী নির্যাতন, নারী অপহরন, নারী ধর্ষণ এর মতো জঘন্য সব বর্বরোচিত ঘটনা গুলো ঘটানো হয়, তখন আমরা কেন প্রতিবাদ করে সমাবেশ করিনা?!! দোষীদের শাস্তি দাবি করিনা ?!!! করলে কি আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের মান - ইজ্জত ধুলোয় মিশে যাবে?!  

বাংলাদেশে যখন ছোট ছোট দরিদ্র ছেলে- মেয়েরা রাস্তায় নেমে অমানুষিক পরিশ্রম করে পেটের দুরন্ত ক্ষুধা মেটাতে ভাত যোগাড় করে, তখন তাদের অন্ন বা শিক্ষা দানের জন্য তো কাউকে এতো বেপরোয়া হতে দেখিনি !!! 

আমি দেখিনি বাঙ্গালী হতদরিদ্র শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধিদের কষ্ট লাঘবের জন্য তাদের  পাশে অগনিত লাখো মানুষের ঢল !!!  দেখিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত পীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য হাজারো জনতার মিছিল !!! যদি হতো, কি যে ভালো লাগতো !!! তাহলে উপর থেকে পরম করুনাময় নিশ্চয়ই আমাদের উপর রহমত বর্ষণ করতেন আর অনেক খুশি হতেন। আমরা সবাই গর্ব করে বলতে পারতাম, আমরা বাঙ্গালী, আমরা গর্বিত, আমরা বাংলাদেশী । আমরা সুখে - দুঃখে একসাথে শান্তিপূর্ণ  বাংলাদেশে সুখ - দুঃখ ভাগাভাগি করে বাস করতে পারতাম। 

বাংলাদেশের শান্তি প্রিয় মানুষের কাছে আহবান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কি হচ্ছে, কি হবে, এসব নিয়ে ভয় না পেয়ে; কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল; কোনটা মানুষের কল্যাণের জন্য, আর কোনটা ক্ষমতার জন্য, সেটা আগে বুঝে নিন; একটু ভাবুন; ধৈর্য ধারন করুন; নিজেদের প্রত্যেকটা অধিকার নিয়েই বেঁচে থাকুন। আগামী দিনগুলোতে নিজেদের ভালো - মন্দের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিন। ভালো থাকুন। 






- Maksuda
Date: 06-04-2013















পার কি একটা জীবন বানাতে, যে জীবন কেড়ে নাও;
পার কি একটা জীবন সাজাতে, যে জীবন  ভেঙ্গে দাও।
পার কি একটা মুখে হাসি ফোটাতে, যার হাসি কেড়ে নাও,
পার কি কাউকে ভালবাসতে, যার ভালবাসা কেড়ে নাও।
আমি জিজ্ঞেস করি, পারবে কি তার হাতটা ফেরত দিতে?
তোমার কারনে যার হাত উড়ে গিয়েছিল কাল! 
ওরে, ভেবে কি দেখেছ একবার, ওটা করবার আগে?
ঠিক করছ ?    নাকি ভুল?!!!
ওহে পথহারা, ওরে দিশেহারা, কোথায় আছিস তুই,
বলতে কি পারিস, কার জন্য এসব করিস তুই? 
ক্ষমতার জন্য? নাকি ক্ষমতাবানের জন্য?!
আমি বলি, একবার এমন একটা কাজ করিস,
একটা মানুষের জন্য একটা ভালো কাজ করিস,
দেখিস তো, সেটা করবার পরে কেমন লাগে তোর?! 




- Maksuda






হরতাল বিষয়ক টিপসঃ
সরকারের একটু উদ্যোগ, একটু কর্মতৎপরতাই পারে হরতালের মাধ্যমে দেশের জন্য অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বয়ে আনতে। হরতাল দিতে হলে হরতালকারিকে সরকারের কোষাগারে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা করসহ দিতে হবে — এমন নিয়ম করলে হরতাল থেকে প্রচুর রাজস্ব আয় করতে পারে সরকার। সুষ্ঠুভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনে স্থাপন করা যেতে পারে হরতাল বিষয়ক আলাদা বিভাগ। হরতালকারীকে প্রথমেই ‘হরতাল আবেদনপত্র’ পূরণ করে ব্যাংক ড্রাফটের কপিসহ উক্ত বিভাগে জমা দিতে হবে। আবেদন করা হরতালকারী হরতাল করতে কতটুকু সক্ষম তা খতিয়ে দেখার পর অনুমতি দেবে বিভাগ। এ ক্ষেত্রে ‘আগে আসলে আগে হরতাল দেবেন’ নীতি অনুসরণ করা যেতে পারে।

 একই দিনে একাধিক পক্ষ হরতাল দিতে চাইলে আবেদনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ অর্থদাতাকে হরতালের জন্য মনোনীত করার ব্যবস্থাও রাখা জরুরি। যাদের পর্যাপ্ত পিকেটার কিংবা ইট-পাটকেল নেই, তাদের অর্থের বিনিময়ে পিকেটার ও ইট-পাটকেল দিয়েও আয় করা সম্ভব। এভাবেই হরতাল হয়ে উঠতে পারে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্ব পূর্ণ অংশ। তাছাড়া হরতাল বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব আয় থেকে তদন্তের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা ও রাখা যেতে পারে । আশা করি কর্তৃপক্ষ যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তা করবে এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। আইডিয়াটা কেমন হবে ?!!!   - আকরাম হোসাইন ।

মতামতঃ
আর একটা আইডিয়া, রাস্তা-ঘাটে বোমাবাজি করা যাবেনা ও মানুষ হত্যা করা যাবেনা, এই শর্তও রাখতে হবে।  আর কোষাগারে জমায়িত টাকা থেকে জনগনের জান ও মালের ক্ষতিপূরণ করতে পারবে সরকার। যাদের যা কিছু ক্ষয়- ক্ষতি হবে সেই ভিত্তিতে তারা সরকার নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট হরতাল বিভাগে প্রমাণসহ আবেদন করবে এবং যার যার পাওনা বুঝে নেবে। হরতাল কারিরা যেই দলেরই হোক, তখন বুঝতে পারবে, অন্যের বাক্তিগত সম্পদের মূল্য কত?!!! মানবাধিকার কি জিনিস, এইবার বুজছ?!!! - Maksuda

নীতিকথাঃ
আসলে হরতাল কোন দেশের জন্যই কাম্য নয়। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দরিদ্র দেশের অধিকাংশ জনগন অনেক কষ্ট করে সুষ্ঠু একটা জীবন- যাপন করার চেষ্টা করে। হরতাল দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রাকে দারুনভাবে ব্যাহত করে। তাই যে উপায়েই হোক, হরতালকে না বলতে হবে। আমরা শুধুমাত্র একটা উপায় দেখালাম, যা প্রয়োগ করলে ভবিষ্যতে হরতাল বন্ধ হবার সুযোগ রয়েছে। 





"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি।
ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু ঝরা এ ফেব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি।"




  

 - Hello everybody, International Mother Language Day is an observance held annually on 21 February worldwide to promote awareness of linguistic and cultural diversity and multilingualism. In the day of 21st February of 1952, when a group of students sought to storm in the area of Dhaka University defending the Bangla language for ourselves and for future generation, police opened fire and killed a number of students, including Abdus Salam, Rafiq Uddin Ahmed, Abul Barkat and Abdul Jabbar.


We remember our martyrs from the very deep of our heart. We are proud that we had our golden boys who sacrificed their life for our mother language and that's why people around the world could know about the nation and they respectfully remember our boys, our language, our people and our nation in this day of 21st February. 





- Maksuda

aas