Background

Background

Lights of BANGLADESH

  • image1
  • image2
  • image3
  • image4
  • image2
  • image1
  • image4
  • image3
Showing posts with label Disease And Disable People. Show all posts
Showing posts with label Disease And Disable People. Show all posts
মূল রচনা: হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করে ঘুরেছেন বিশ্বের ১৯টি দেশ। বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছেন প্রতিবন্ধীদের জন্য তহবিল গঠনের প্রস্তাব। পড়ুন নাটোরের প্রতিবন্ধী যুবক মো. মহরম আলীর বাধা পেরোনোর অসামান্য গল্প 

তখন সবে দেড় বছর বয়স তার। একটু-আধটু কথা বলা শুরু করেছে মাত্র। হাঁটি-হাঁটি পা-পা করে হাঁটতেও শিখেছে খানিকটা। এটুকু বয়সেই তাকে নামতে হলো নিজেকে সচল রাখার যুদ্ধে। পোলিও নামের কঠিন ব্যাধি থাবা মারল মহরম আলী নামের এই ছোট্ট শিশুর জীবনে। মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো পোলিওর সঙ্গে যোগ হয়
হাতুড়ে কবিরাজের চিকিৎসা। ফলাফল, সে যাত্রায় পুরোপুরি পঙ্গুত্ব বরণ করে নিতে হয় নায়ক মহরম আলীকে। প্রশ্ন জাগতেই পারে, যে ছেলে গত ২৬ বছর হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না, যে ছেলের জগৎ ছিল নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ, সে আবার নায়ক হয় কী করে! হ্যাঁ, মহরম আলী সত্যিকারের অর্থেই ব্যতিক্রমী এক নায়ক।
হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করেই তিনি পৌঁছে গেছেন বিশ্বের ১৯টি দেশে। পাড়ি দিয়েছেন তিনটি মহাদেশ। নাড়া দিয়েছেন বিশ্বনেতাদের। মনে হচ্ছে অসম্ভব? এই অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন নাটোরের প্রতিবন্ধী যুবক মো. মহরম আলী।

 
শুরুর গল্প
২০১০ সাল। শারীরিক প্রতিবন্ধী মহরম আলী তখন সিআরপিতে (সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড) কর্মরত। ওই সময় একটা ঘটনা তাঁর মনে দাগ কাটে। মেক্সিকোর কানকুনে জলবায়ু সম্মেলন হচ্ছে। জলবায়ু নিয়ে বিশ্বনেতাদের আগাম চিন্তাভাবনা চমকিত করে তাঁকে। চাইলে প্রতিবন্ধীদের জন্যও এ রকম সম্মেলন বা তহবিল গঠন করা সম্ভব বলে মনে হতে থাকে তাঁর।
‘পৃথিবীতে এত এত প্রতিবন্ধী মানুষ অথচ তাঁদের জন্য কেউ এভাবে ফান্ড গঠন করার চিন্তা করে না। অথচ চাইলেই কিন্তু প্রতিবন্ধীদের সহজেই কাজে লাগানো যায়। স্বাভাবিক মানুষের মতোই কর্মদক্ষ করা যায়! সে বিষয়টা খুব কম লোকই ভাবে’—বলছিলেন মহরম আলী। এই চিন্তা থেকেই উদ্যোগটা নেন তিনি। তাঁর উদ্যোগের নাম দেন ‘ওয়ার্ল্ড ডিজঅ্যাবিলিটি ফান্ড’। সহজ ভাষায়, সারা বিশ্বের প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য একটি কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক তহবিল তৈরি করা। মহরম আলীর ভাষ্যমতে, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অনেক ধরনের তহবিল রয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর সব রাষ্ট্র বা সরকারের মিলিত (অল স্টেট ইনিশিয়েটিভ) কোনো কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক তহবিল নেই। এই চিন্তা থেকেই তিনি সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তাঁর স্বপ্নের কথা বিশ্বনেতাদের জানানো প্রয়োজন মনে করেন তিনি।
কিন্তু একে তো উন্নয়নশীল দেশের প্রতিবন্ধী যুবক, তার ওপর পড়াশোনার দৌড়ও কম, তাই এমন চিন্তা আকাশকুসুমই মনে হচ্ছিল। পায়ের শক্তি কমে গেলে কী হবে, মহরমের মনের শক্তি যে তীব্র, সেটা বোঝা গেল অচিরেই। ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করেন তিনি। শুরুতে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বিশ্বের কোথায় কোন সংগঠন কাজ করে, তার একটি তালিকা তৈরি করলেন। তারপর নিজের পরিকল্পনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলেন। এমন চিন্তা কোনো সংগঠন বা দেশের নেই বললেই চলে। মহরম বলছিলেন, ‘শুরুতেই বুঝেছিলাম প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আমার তহবিল গঠনের প্রস্তাবটি বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিতে হলে ব্যতিক্রমী কিছু করতে হবে। তখনই বিশ্বভ্রমণের কথা মাথায় আসে।’ কিন্তু...!

শত বাধা পেরিয়ে...
‘ধরুন, আমি পরিকল্পনা ঠিক করলাম। তাই বলে সমস্যা কিন্তু পালিয়ে গেল না! আমার পুরো ভ্রমণের অর্থায়ন নিয়ে মহাসমস্যায় পড়ি। অনেক বড় বড় ব্যাংক-বিমা, সেবাদাতা ও আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দিনের পর দিন গেছি। তারা সবাই আশ্বাস দিয়েছে কিন্তু সহায়তা করেনি। অবশেষে এগিয়ে আসে কিছু বেসরকারি সংস্থা, বিদেশি কিছু প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা।’—বলছিলেন মহরম আলী। তবে তিনি আর্থিক বাধার চেয়ে বড় বিপাকে পড়েন ভিসা নিয়ে। নিজের চেষ্টায় সব সমস্যা বরাবরের মতোই উতরে যান মহরম। ‘আমার লক্ষ্য ছিল, যেকোনো মূল্যে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে পৌঁছাব। আমি সেই লক্ষ্যে এগিয়ে গেছি। ভ্রমণের সময় কখনো বাস, কখনো ট্রেন, কখনো জাহাজ ব্যবহার করেছি।’

 
শহীদ মিনার থেকে শুরু
২০১১ সালের ২৫ জুন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন মহরম আলী। প্রথমে বাসে করে তিনি যান ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। সেখানে থাকতে হয় ৩৪ দিন। ভারত থেকে সংগ্রহ করেন আয়ারল্যান্ড, পোল্যান্ড, শেনজেন ও কাজাখস্তানের ভিসা। তারপর তিনি যান নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সেখানে কাটান ছয় দিন। প্রয়োজনীয় অনুমতি সংগ্রহের পর তিনি যান কাজাখস্তান। তারপর পৌঁছান রাশিয়ার মস্কোয়। মস্কোয় ছিলেন ১৯ দিন। এর মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ওয়ার্ল্ড ব্যাংক মস্কো, বাংলাদেশ প্রবাসী পরিষদ, অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোপিয়ান বিজনেস (এইবি) এবং আরও কিছু সংগঠনের সঙ্গে। তারপর তিনি ইউক্রেনিয়ান ট্রেনে করে যান ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। সেখানে বাংলাদেশি ছাত্রদের আমন্ত্রণে ভ্রমণ করেন অন্য দুটো বড় শহর। ১৫ দিন ইউক্রেনে কাটিয়ে ১ অক্টোবর ট্রেনে চেপে পোল্যান্ডে ঢোকেন। এক দিন পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে কাটিয়ে ওয়ারশ-বার্লিন এক্সপ্রেস ট্রেনে মহরম আলী জার্মানির রাজধানী বার্লিনে যান। সেখান থেকে যান ছোট্ট দেশ লিখটেনস্টেইনে। ৩৫ হাজার মানুষের ছোট্ট এই দেশে মহরম আলী কাটান ৪০ মিনিট। সেখান থেকে রেড বুল এনার্জি ড্রিংক কোম্পানির আমন্ত্রণে পৌঁছান অস্ট্রিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী সলসবুর্গে। কথা বলেন অস্ট্রিয়ান ন্যাশনাল হুইলচেয়ার বাস্কেটবল দল, রেড বুল অথোরিটি এবং রেড বুলের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান হাঙ্গার সেভেনের সদস্যদের সঙ্গে। তিনি আরও যান— সুইজারল্যান্ড ও ইতালিতে। এরই মধ্যে ২১ অক্টোবর জার্মানির প্রভাবশালী পত্রিকা স্পিগেল মহরম আলীকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর সুবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভ্রমণের আমন্ত্রণ আসতে থাকে তাঁর কাছে। জার্মানির ছোট্ট শহর হফে প্রতিবন্ধীদের একটি স্কুলের আমন্ত্রণে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মহরম কথা বলেন, তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা এবং ওয়ার্ল্ড ডিজঅ্যাবিলিটি ফান্ড নিয়ে। ১১ নভেম্বর মহরম আলী লন্ডনে পৌঁছান। তাঁকে লন্ডনে বরণ করে নেন তাঁর সাবেক সহকর্মী পাপ্পু লাল ও তাঁর সহপাঠীরা। ২৩ নভেম্বর এডিডি (অ্যাকশন অন ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) বাংলাদেশের দেশীয় পরিচালক মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন লন্ডনে। এডিডির আমন্ত্রণেই ২৯ নভেম্বর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি অংশ নেন একটি আন্তর্জাতিক আলোচনায়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন লেবার পার্টির ডেভিড ব্লাংকেটসহ ব্রিটেনের আরও অনেক সংসদ সদস্য। ২০১২ সালের ১৩ জানুয়ারি তিনি নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে তাঁর ওয়ার্ল্ড ডিজঅ্যাবিলিটি ফান্ড ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। তারপর দেশে ফেরেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। তাঁর এই ভ্রমণের বিস্তারিত দেখা যাবে www.bezgraniz.ru ওয়েবসাইটে।

 
না, শুধু প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় তাঁর প্রাণের দাবিটি জাতিসংঘ অবধি পৌঁছে দিয়েই থামেননি মহরম। প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকতেই নাটোরে গড়ে তুলেছেন ‘ইউনাইটেড অ্যাকশন’ নামের একটি সংস্থা। তাঁর সঙ্গী ৩২ জন সদস্যকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিবন্ধীদের জন্য। মহরম আলী বলছিলেন, ‘আমরা শুরুতে প্রতিবন্ধীদের পেশাদারি প্রশিক্ষণ এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার ওপর জোর দিচ্ছি। সামনে আমরা আরও বড় পরিসরে কাজ শুরু করব। শুরুতে উত্তরবঙ্গের প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করব। তারপর সারা দেশ। এর মধ্যে যদি ওয়ার্ল্ড ডিজঅ্যাবিলিটি ফান্ডের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু হয়, তাহলে তো খুব ভালো। যা-ই ঘটুক প্রতিবন্ধীদের নিয়েই আমি কাজ করে যেতে চাই।’



 মো. রুবেল 
তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো, বাংলাদেশ। 
 
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের ইকড়ছই এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম (২৯) মাত্র চার বছর আগেও পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছে ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হঠাৎ করে হেরোইনে আসক্ত বন্ধুর পাল্লায় পড়ে পরিবার থেকে তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে নজরুল হেরোইনের টাকার জন্য অপরাধজনক কাজে জড়িয়ে পড়েন। গত ৩০ জুন জগন্নাথপুর বাজারে একটি চুরির ঘটনায় পুলিশ নজরুলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পেয়ে তাঁকে খুঁজতে থাকেন। শুক্রবার রাতে পুলিশের ভয়ে পালাতে গিয়ে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে তিনি মারা যান। 
নজরুলের বাবা ছরকুম উল্যা বলেন, ‘হেরোইন আমার ছেলেটিকে অকালে কেড়ে নিল। ছেলেটি নেশাগ্রস্ত হওয়ার আগে পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করত। ২০০৯ সালে রঙের কাজ করতে গিয়ে নজরুল এক হেরোইনসেবীর সঙ্গে মিশে আসক্ত হয়ে পড়ে। অনেক বুঝিয়ে তাকে এ পথ থেকে ফেরাতে না পেরে আমরা তার আশা ছেড়ে দিই। শুক্রবার রাতে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মোটরসাইকেলের শব্দ শুনে পুলিশ এসেছে মনে করে নজরুল দৌড় দিয়ে বাড়ির পাশের নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরে নদী থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।’ 

নজরুলের প্রতিবেশী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নজরুল শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। কিন্তু হেরোইনের নেশায় আসক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত সে মারা গেল। এ নেশা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষায় প্রশাসনের কঠোরতার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন জোরদার করা দরকার।’

 

 

 

  

 Date: 07-07-2013

Source: Doinik Prothom Alo

Open wounds or ulcers can develop on the feet of people with diabetes, often due to poor blood circulation. The American Podiatric Medical Association suggests how to help prevent foot ulcers:

* See a medical professional regularly.
* Avoid smoking and drinking alcohol.
* Following your doctor's orders to help control cholesterol and blood glucose levels.
* Wear appropriate shoes and socks.
* Regularly inspect your feet and let your doctor know about any injuries or problems.




Source: The Daily Star
Understanding disability:

 Usually disability is defined as the physical or mental impairment through out the
literature surveyed. But disability is not only a physical or mental impairment rather it is
defined by the culture also. Somewhere what is normal sickness in other context it is a
disability recognized in the socio- cultural settings. In this study disability is defined as a
complex form of deprivation. And the PWDs are found with less capability and less selfconfidence
within the existing physiological, social and cultural settings.
 

Methodology The general methodology followed for conducting study are Focus group discussions,
Observation, Written document analysis and Questionnaire survey. For these purposes two
different studies are conducted namely: a) prevalence survey- to find out the incidence of
disability in the society and their composition according to different aspects like age, sex,
location, disability type etc.; b) Knowledge, attitude and practice (KAP) study- to attain
the general notion of the people towards PWDs.
For prevalence study a total of 12000 samples are surveyed throughout the country
which comprises 25% of urban people and 75% of rural populations. From every division
1 ward from urban area and 3 villages from rural areas have been selected as the general
principle of the followed statistical analysis. For KAP study a total of 2400 samples are
surveyed throughout the country, which comprises 25% of urban people and 75% of
rural populations. Same composition of survey areas from the divisions is used as in the
prevalence survey.

aas